মশিউর রহমান মিঠু’র দু’টো বন্ধ্যাকালের কবিতা

ভালোবাসা মৃত্যুকূপ

তুমি আমার জন্যে মৃত্যুকূপ খুঁড়ছো,

আর আমি মৃত্যুকূপ থেকে বেরিয়ে এসে বলছি:

আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি।

এটা আমার স্বভাব, আমি তোমাকে ভালো না বেসে পারি না।

তোমারো স্বভাব আমার আছে জানা;

তুমি মৃত্যুফাঁদ পেতে যাচ্ছো একের পর এক

উর্বরা তোমার বিষাক্ত সব ফল আর বীজ নিয়ে,

তোমার এ মরণখেলা চলবে অনন্তকাল আর তুমি মুখিয়ে থাকবে

মৃত্যুর ফাঁদ কেটে ফিরে এসে তোমাকে আবার ভালোবাসার কথা বলি:

আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি।

– মরমি,

১২.০৭.২৩

মানুষ দেখিনা

কখনো নিজেকে নিজের ভেতর ঘুটিয়ে নিয়ে মুক্তো

ফলানোর অসুখের মতো ঝিনুক অতীত দেখি,

ছোট পুকুরের ছোট ছোট মাছেদের বর্ণিল উৎসব দেখি,

বিজন বাগিচায় হঠাৎ শালিখের দোয়েলের স্বজনের মতো হয়ে ওঠা দেখি,

শিশুদের অকারণ খলবল হাসি দেখি আর

কান্নার আগে আগে বিলম্বিত ঠোঁট ফুলানোর স্বর্গীয় কসরৎ দেখি;

এই সব ক্ষীণ হয়ে আসা সোনালী অতীত।

সময়ের আলোক ফলায় যতো বিদ্ধ হতে হতে

কতগুলো নেতা দেখি, আমলা -কামলা দেখি, রাজা – মন্ত্রি দেখি,

সামরিক কুচকাওয়াজ দেখি,

আগুনবাজ রমণীর ছলা কলা নখরামো দেখি,

কর্পোরেট বেনিয়া দেখি, কূটনীতির শীতল আগুন দেখি,

মূখস্থের উন্মাদনা দেখি;

মানুষ দেখিনা।

– মরমি

১৪.০৭.২৩

আর্ট অজয় দত্ত

রাত জেগে লা-লিগার খেলা কেনো দেখবো,আমার শারীরিক ক্ষতির বিনিময়ে বর্ণবাদ কেনো কিনবো

যেসব ক্রীড়ামোদি বন্ধু ফুটবলীয় রাজনীতিটা বুঝতে আগ্রহী, এ লেখা তাদের জন্য। অন্যদের না পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

হ্যাবিয়ের তেবাস বর্ণবাদে জর্জরিত হয়ে ফুঁসে ওঠা ভিনি’র কাছে তার প্রকাশ্য ক্ষমা চাওয়া কি প্রমান করে না, সে বর্ণবাদের পক্ষে ছিলো। তাহলে তিনি এতো বড় টুর্নামেন্ট এর প্রধান থাকেন কি করে ? স্প্যানিশ ফুটবলের ইতিহাসটা একবার জানুন: যে রয়্যাল মাদ্রিদ থেকে রিয়াল মাদ্রিদ হয়েছে, তারা জন্মগত ভাবে বর্ণবাদী। কারন তাদের ইতিহাসের প্রায় ৭০ বছর ধরে কোনো কালো বর্ণের খেলোয়াড় দলে নেয় নি।

রিয়াল প্রেসিডেন্ট পেরেজ একজন বর্ণবাদী কর্পোরেট মাফিয়া। তার দলের একজন খেলোয়াড়ের উপর বর্ণবাদী আক্রমনের প্রতিবাদ সে প্রথমে করে নি। ব্রাজিলের বর্তমান প্রেসিডেণ্ট লুলা ডি সিলভাকে চিনে রাখুন। তার ছোট্ট একটা বিবৃতিতে ফিফা’র অন্তরাত্মা কেপে উঠছে। তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞার কাছে ইনফান্টিনো একজন শিষ্য মাত্র। ফিফা এরপরই কড়া হুশিয়ারীর জানায়। তারপর পেরেজ এর প্রতিবাদ করে এবং তেবাস ক্ষমা চায়। বার্সায় সাবেক প্রেসিডেন্ট বার্তোমেউ তার চর, যে বার্সাকে আর্থিকভাবে ধ্বসে দিয়েছে। এরকম অসংখ্য তথ্যপ্রমান সারা বিশ্বের পত্রপত্রিকায় ছড়িয়ে আছে। তার আরেক চরের নাম এই হ্যবিয়ের তেবাস। বার্সার বর্তমান প্রেসিডেন্ট হোয়ান লাপোর্তা তাদের ক্লাবের সর্বকালের সেরা খেলোয়াড়টির জনপ্রিয়তাকে কাজে পুঁজি করে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়ে কূটকৌশলে অসময়ে ওকে ক্লাব ছাড়তে বাধ্য করেছে। খেলোয়াড়টি নাম লিও মেসি। কি,আপনার মন বিশ্বাস করতে চাইছে না! কিন্তু সে জগতে আরো জঘন্য কিছুও হওয়া সম্ভব। এর উদাহরণও সামনে আসছে।

আজ যদি ভিনি, সুয়ারেজ,রদ্রি’রা অশিক্ষার কারণে কোনো অসংগত আচরণ করেন, এর জন্য ইউরোপীয়রা দায়ী। কারন স্পেন,পর্তুগাল,ফ্রান্স এবং নেদারল্যান্ড মিলে ব্রাজিলসহ ল্যাতিন আমেরিকার প্রায় দেশে কলোনি গড়ে পাঁচ’শ বছর শোষণ লুণ্ঠন করে তাদের অশিক্ষার অন্ধকার ও চরম দারিদ্রতার দিকে ঠেলে দিয়েছে।

বর্ণবাদের জিনিসটা হলো এমন সহিংস আচরণ, যারা এটা করে তারা মনে করে “আমরা এমন আচরণ করার অধিকারী আর ওরা এ আচরণ প্রাপ্য।” বর্ণবাদ সবসময় শুধু সাদা আর কালোতে হয় না। দেশের সাথে দেশের এবং মহাদেশের সাথে মহাদেশেরও হয়।

আপনাকে এখন কুইজ দেব,

বিশ্বকাপ ইতিহাসে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ কার্ড ১৮টি দেখানোর রেকর্ড গড়ে বরখাস্ত হওয়া স্পেনিশ রেফারি অ্যান্তনিও মাতেও লাহোজ এ বছর সর্বোচ্চ আয় করেছেন।

এখন কুইজ হলো :

১. তাকে কোন দেশের বিরুদ্ধে পাঠানো হয়েছিল?

২. কারা তাকে পাঠিয়েছিল?

৩. বরখাস্ত ও নিন্দিত একজন রেফারির সর্বোচ্চ আয়ের কারণ কি?

আশাকরি উত্তরগুলো আপনি মিলাতে পারবেন।

না মিললে এই নিন:

ফুটবল দুনিয়াতে এতো দল থাকতে আমরা আর্জেন্টিনা বা ব্রাজিল সাপোর্ট করি কেনো?

এটা করি ন্যায় ও দায়িত্বশীলতার কারনে।

আমরা চাই যারা সেরা, তারাই জিতুক।

এটুকু যদি না থাকে, তবে আপনি একজন ক্রীড়ামোদি হতে পারবেন না।

হরিকমলের গুরু – শিষ্য গান, প্রাচীন বাঙলার লোকগান

হরিকমল প্রাচীন বাংলার একজন সহজিয়া দার্শনিক গীতি কবি ও সুরকার। গুরু – শিষ্য গান হরিকমলের মনশিক্ষা শ্রেণীর গানের অন্তর্গত। এখানে তাঁর ‘চিনা মানব’ এ গুরু – শিষ্য গানটি তুলে ধরা হলো। আশা করি সবার ভালো লাগবে।

পার্বত্যবাসীদের নিয়ে একটি ভিন্ন ধারার গান

বাংলাদেশের পার্বত্য জেলাগুলো সম্পর্কে আমরা কতটা জানি। তাদের জীবন-জীবিকা আইন-কানুন সম্পর্কে আমরা তেমন কিছুই জানি না। সে না জানা থেকে একটি গান লেখলাম। যারা পার্বত্য বিষয়ে আগ্রহী এই গান তাদের জন্য। আশাকরি ভালো লাগবে।

জীবনানন্দ হয়ে সংসারে আজো আমি

Subscribe to continue reading

Subscribe to get access to the rest of this post and other subscriber-only content.

চান্দের সাথে রাতের পিরিতি হইলে | সৃষ্টিশীল গান

গানের কথা ও সংগীত : আলম গান, কন্ঠ : মশিউর রহমান মিঠু

https://web.facebook.com/share/v/1BXbEx3hGT/

সুরঞ্জনা | কবিতা থেকে গান | কবিতা : জীবনানন্দ দাস | সংগীতিায়ন : মশিউর রহমান মিঠু |

অবিশ্বাস্য কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা AI নির্মিত এর ভূত-ভবিষ্যত নিয়ে সম্পূর্ণ বাংলা গান

সংগীতের ট্যাকনিক্যাল দিকগুলো জানা থাকলে এবং ভালো লিরিক থাকলে আপনি কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা (এ আই ) দিয়ে অসাধারণ গান তৈরী করতে পারবেন। তো কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার ও এর স্রষ্টা মানুষের ভূত-ভবিষ্যত নিয়ে অসাধারণ একটি গান তৈরী করা গেলো। শুনে দেখুন! চ্যানেলটিতে এরকম ভিডিও আসতেই থাকবে। সাবস্কাইব করে রাখতে পারেন। গানের কথা ভিডিও ডেসক্রিপশনে–

কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যে কত দরদ দিয়ে গান গাইছে, শুনুন!

কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা বা AI যে কত দরদ দিয়ে গান গাইতে পারে এবং কোন ভাষার সংগীত ধারাকে নিমেষে বুঝে ফেলতে পারে, গান না শুনলে আপনি বিশ্বাস করতে পারবেন না। যদি আপনি ভালো একটি গানের কথা লিখে দিতে পারেন এবং সঠিকভাবে নির্দেশনা দিতে পারেন তবে AI আপনাকে অবিশ্বাস্য সংগীত উপহার দিবে! আমি AI কে একটি গানের কথা লিখে দিয়ে বাংলা লোকজ ও রবীন্দ্র ধরণের গান দেওয়ার জন্য বলেছিলাম, শুনে দেখুন সে আমাকে কি আশ্চার্যজনক গান উপহার দিলো–

AI নির্মিত আরো গান শুনতে :

কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা নির্মিত গান –AI-Generated Songs : https://www.youtube.com/watch?v=nO1SZSDBmlU&list=PL9R6Bo0RXOzVivSHykW6UBn24H0SjPrdl&pp=gAQBiAQB

কৃত্তিম বুদ্ধিমতত্তা বা অবিশ্বাস্য AI দিয়ে কয়েকটা গান তৈরী করলাম। এর মধ্যে একটা গান হল “রাস্ট্র মানে” রাস্ট্রের চিপার মধ্যে থেকে এ গান লেখতে ভালোই লাগছে–

AI-বিশ্ময়কর কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা নির্মিত সম্পূর্ণ বাংলা গান

কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা বা AI গানের কথা বাংলা গানের কথা লেখার ক্ষেত্রে পরিনত না হলেও বিশ্ময়কর কন্ঠ,সুর ও সংগীত নির্মান করতে পারে। এরকম আরো গান শুনতে চাইলে সাবক্রাইব করে সাইটটির সাথে থাকুন।

দৃশ্যমান ক্যালেন্ডারের পাতাগুলোসত্যি নয়,

সময়ের উত্তল ত্রিফলবিদ্ধ
এ দৃশ্যমান ক্যালেন্ডারের পাতাগুলো
সত্যি নয়,
এ শোভাযাত্রার আঁকা বাঁকা সুর সত্যি নয়,
বক্তৃতা মঞ্চের কোলাহলছন্দ সত্যি নয়।

স্বস্তির সময়টুকু যতো স্বল্পতেই শেষ হোক
স্বপ্ন তবু আয়ুর অধিক হতে পারে,
জীবনানন্দের সময়
চাঁদ ডুবে গেলে পরে
নিরাপদে বৈতরণী পার হওয়া যায়।

-মশিউর রহমান মিঠু

১৪/৯/২০২৩

নারকীয় হত্যাযজ্ঞ থেকে জাগে মনসুর হাল্লাজের বিবিধ চেতনা

তোমাদের আশ্রয় দেওয়া ছিলো আমাদের সরলতা,তোমাদের সাথে সন্ধিচুক্তি করাটা ছিলো সুন্দর গরল ফল খাওয়ার মতো আমাদের বিরাট বোকামো,

আর তোমাদের স্বপ্নেপ্রাপ্ত নির্দেশনাগুলো ছিলো-পরিহাসের মাতাল প্রলাপ।

এত:পর তোমরা আমাকে হত্যা করে ফেললে;

আমি তখন মনসুর হাল্লাজের কুঁচি কুঁচি করে কাটা প্রতিটি তন্তুর মতো বলে ওঠি “আনাল হক”।

যেদিন “শহর” নামক স্থান থেকে খানিক দূরের পাড়ার কবি কাব বিন আশরাফ’কে হত্যা করা হয়, সেদিন কবিতার কালো অক্ষরগুলো এমন প্রতিবাদী আকৃতি নিয়েছেন, দানবীয় উল্লাসে ফালি ফালি করে কাটা ঠিক যেনো মনসুর হাল্লাজ!

-মশিউর রহমান মিঠু, চিত্র: অজয় দত্ত

তিনটি হাইকু

১.শাসকের দল
     দেখায় যোগ আর গুন
                             মিলেনা ফল।
২.আকাশে চিল
      দূরগামী ডাকে কাঁপে
                        একলা প্রাচীল।
৩.শ্রাবণ মাস
      এমন শুষ্ক আকাশ দেখেন নি
                                         কালীদাস।

– মশিউর রহমান মিঠু

সেন্টমার্টিনের মৎস শিকারী আবদুর রশিদ (মাস্টার) প্রেমিকা মিনারা’কে হারিয়ে যে গানটি বাঁধলেন

মধু হই হই আঁরে বিষ খাওয়াইলা-কোন কারনে ভালবাসার দাম ’ন দিলা–সেন্টমার্টিনের মৎস শিকারী আবদুর রশিদ (মাস্টার) গানটি লিখেছেন চট্টগ্রামের ভাষায়। গানটি তৈরী হয়েছিলো ২০০০ সালের আগে প্রবালের উপর বসে তাঁর বাল্য প্রেমিকা মিনারা’কে হারানোর প্রেক্ষাপটে। গানটির প্রথম দু’লাইন জানেন না এরকম কমই আছেন। কিন্তু কথা হলো, তাঁর সম্পর্কে এতোদিন পরে জানা গেলো কেন ? যাঁরা গানটি প্রথম বাণিজ্যিকভাবে বাজারে আনেন তাঁরা এতোদিন কি করেছেন ? এরকম অসংখ্য প্রশ্ন করার আছে। এ চ্যানেলে এ গানের স্রষ্টা আবদুর রশিদ (মাস্টার) প্রতি পরিপূর্ণ ঋণ স্বীকার করে গানটি তাঁর ছবি সহ প্রকাশ করা হলো।

আব্দুর রশিদ ট্রলার মাস্টার

জীবনানন্দের কিছু ভালোলাগা পংক্তি

এরকম গান কি হতে পারে না!

একটি গানের কথারা আমাকে এমনভাবে পেয়ে বসেছে,গানটি শেষ না করে যেনো আমার মুক্তি নেই। গানটি লিখে যেনো নিজের একটি রাস্তা পেয়ে গেলাম। মনে হলো, কারো মূখাপেক্ষি না হয়ে এমন গান বাংলাদেশে হতে পারে। গানটি তৈরী হলো।

আমার একটি ইউটিউব চ্যানেল আছে,অলাভজনক, আমার নিজের গান এবং পছন্দের গানগুলো সেখানে রাখি। আমি ইচ্ছে করেই যেখানে কোন ভিডিও কনটেন্ট অটোপ্লে হয়ে মানুষকে জ্বালাতন করে সেখানে পোস্ট দেয় না। তাই যারা গানটি শোনতে চান-ভিডিওতে ক্লিক করলে তবেই গানটি শোনা যাবে। আগেই জানিয়ে রাখি, গানের ভিডিও চিত্রায়ন মনমতো হয়নি,ভালো না লাগলে সেটি এড়িয়ে যাবেন। গান আসলে শোনার জিনিস ও অনুভবের বিষয়। গানে কথা :

স্বপ্নের পাখিগুলো উড়ে যায়,আর উড়ে যায় সময়ের সীমানায়

আর ফিরে ফিরে এসে বসে যায় বয়সের ডাল পালায়।

স্বপ্নের পাখিগুলো উড়ে যায় —

বয়সের ডালে ডালে যেই পাখি খেলে লুকোচুরি

আর কখন নিমেষে বসে খুলে দেয় স্মৃতিদের ঝুড়ি

স্মৃতিরা ঘনিয়ে বসে হতে রাখে হাত

আমাদের কেটে গেছে কত দিনরাত,

স্মৃতিদের বয়স বাড়ে না,

হাত ধরে নিয়ে যায় ছোট্ট বেলায়, আর ছোট্ট বেলায়।

স্বপ্নের পাখিগুলো উড়ে যায় —

ছোট্ট বেলার সেই সোনাদিন সাথীদের কত নামধাম,

আর আমের জামের গাছ ভেসে ওঠে আমাদের গ্রাম,

এইখানে মানুষেরা অল্প চাওয়া পাওয়ায় বাঁচে

আরো কিছু পর্নকুটির ছিলো ও গাঁয়ের আনাচে কানাচে।

তারাওতো বেঁচে ছিলো প্রকৃতির বদান্যতায়,

আজও তারা আছে নাকি কে কোথায়,

গ্রাম যে শহর হয়ে যায়।

আর ফিরে আসবেনা, সপ্নের পাখিগুলো ফিরে আসবেনা,

ইট কাট পাথরে বোঝাই, ব্যাধিঘোরে সবুজের বিপন্নতায়।

স্বপ্নের পাখিগুলো উড়ে যায় ——–#

মহাত্মা আহমদ ছফা যে গানে নিজের সাথে রসিকতা করলেন!

আহমদ ছফা’র এ গানটি আমি খঁজতেছিলাম। ফকির আলমগীর’র গাওয়া গানটি পাওয়া গেলো, তাঁর সময়ের স্টাইলে গাওয়া, গানের তালটা একটু ডিমা মনে হলো। ফলে গানটা আবার তৈরী করলাম। মহাত্মা ছফা যে গানে অনুপম কথা-চিত্রকল্পের ঠারে নিজের সাথে রসিকতা করছেন এমন গান নতুন প্রজন্মকে না শুনিয়ে পারা যায়!

গৌতম বুদ্ধের অসাধারণ গল্প ও কথোপকথন করিতা আবৃত্তি

Love poems for Africa