Some Bangla Notable spiritual songs

‘সুপার ডিলাক্স’ এ তামিল মুভির মতো ছবি বলিউড-হলিউডে করা সম্ভব হবে না। (মুভি রিভিউ)

অনেক শিল্পবোদ্ধা সিনেমাকে প্রথম শ্রেনীর শিল্পর মর্যাদা দিতে আগ্রহী হন না। এর অনেক কারণও আছে। তাদের প্রধান যুক্তি সিনেমা মূলত ফরমায়েশি দৃশ্যায়নকে জোড়া-তালি লাগিয়ে তৈরী হয়। এ ছাড়া দুনিয়াতে যত সিনেমা তৈরী হয় তার বেশিরভাগই একই ফরমেটে আজগুবি কাহিনীতে ঠাসা  গারবেজ । কিছু সিনেমা এন্টারটেনের নামে লোকদের বিপথে বা বিপদগামীতার দিকে নিয়ে যায়। তবুও তো  কিছু সিনেমা আছে যা  এ শক্তিশালী গণমাধ্যমের ভিতর দিয়ে মানুষের ভাবনার জগৎকে উসকে দেয়, আলোকিত করে। আমাদের পথের পাঁচালী এর একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ।

তামিল ভাষায় নির্মিত সুপার ডিলাক্স মুভিটি এরকমই একটি সিনেমা। মুভিটি দেখার পর বাংলা ভাষার এর কোন রিভিউ পাওয়া যায় কিনা খুলতে শুরু করলাম। স্বাভাবিকভাবেই পেলাম না। অগত্যা উইকিপিডিয়া ইংরেজিতে যা পেলাম তার অনুবাদ মোটামুটি এরকম: “সুপার ডিলাক্স  ২০১৯ ভারতীয় তামিল ভাষার একটি ক্রাইম কমেডি-ড্রামা ফিল্ম যা বিজ্ঞানের কল্পকাহিনী এবং কল্পনার উপাদানে নির্মিত।” বলাবাহুল্য, সুপার ডিলাক্স’কে আমার কাছে ওরকম কিছুই মনে হয় নি। সুপার ডিলাক্স এর চাইতেও বৃহত্তর প্লটে নির্মিত মহত্তর কিছু। আসলে এ মুভিটিকে কোনো জেনার-এ ফেলা যায় না। শুধুমাত্র কয়েকটি পরাবাস্তব (প্যারাডক্স) দৃশ্য ছাড়া বাকী যা কিছু আমাদের চারপাশে ঘটছে এবং ঘটা সম্ভব তা-ই নিয়েই এ সিনেমা। ছবিটিতে সমান্তরালে দেখানো হয়েছে চারটি আন্তঃ বোনা গল্প :

শিল্পার গল্প: জ্যোতি এবং তার ছেলে রাসুকুট্টি সাত বছর আগে পরিবার ত্যাগকারী রাসুকুট্টির বাবা মানিকমের ফিরে আসার অপেক্ষায় রয়েছেন। তারা হতবাক হয়ে দেখছেন, মানিকম মুম্বই থেকে শিল্পা নামে একজন মহিলায় রুপান্তরিত হয়ে এসেছেন। রাসুকুট্টি স্কুলে তাঁর বন্ধুদের সাথে শিল্পাকে পরিচয় করিয়ে দিতে চান। পথে, একজন ধর্মান্ধ পুলিশ সদস্য শিল্পাকে আটক করে এবং তাকে বার্লিন নামে একজন দুর্নীতিগ্রস্ত পুলিশ অফিসার জোর করে যৌনকাজে বাধ্য করে। শিল্পা স্কুলে আরও হয়রানি ও অপমানের মুখোমুখি। হতাশ হয়ে তিনি মুম্বাইতে ফিরে যাওয়ার জন্য টিকিট কিনেছিলেন। স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে শিল্পা রসুকুট্টিকে হারায়, এবং পুলিশের সহায়তা চায়। তিনি আবার বার্লিনের সাথে দেখা করলেন এবং তিনি তাকে মারধর শুরু করলেন। শিল্পা হিজড়াদের ঐতিহ্যবাহী স্টাইলে বার্লিনের উপরে একটি মৃত্যূ অভিশাপ দেয় এবং পালিয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত, শিল্পা বাড়িতে রসুকুট্টিকে খুঁজে পায়। রসুকুট্টি প্রকাশ করেছেন যে, শিল্পার আবারও তাদের ত্যাগ করার উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানে এবং আবেগের সাথে তার মুখোমুখি হন। শিল্পা বুঝতে পেরেছিল যে রসুকুট্টি এবং জ্যোতি যাই হোক না কেন তাকে মানতে প্রস্তুত, এবং তারা একসাথে থাকে।

লিলার গল্প:  লিলা পর্নো ছবিতে অভিনয় করেছে জানতে পেরে সুরি ক্ষুদ্ধভাবে লিলার দিকে ছুটে যায়। শেষে রাগে-ক্ষোভে সুরি তার পেটে ছুরিকাঘাত করে। এতে বিড়ম্বিত লীলা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায় এবং তার বাবা অর্পুতহাম (পূর্বে ধানসেকরণ নামে পরিচিত) দুর্ঘটনার খবর পেয়েছিলেন। আরপুতহাম ২০০৪ সুনামির হাত থেকে বেঁচে গিয়েছিলেন যিনি বিশ্বাস করেন যে সুনামির ধাক্কা খেয়ে তিনি যিশুর মূর্তির আকারে গড-ইশ্বরের দ্বারা রক্ষা পেয়েছিলেন, সুনামির পরে খ্রিস্টান ধর্মান্তরিত হয়েছিলেন তবে বর্তমানে বিশ্বাসের সংকট রয়েছে। তিনি খৃষ্টসাধকের (সুরিয়া) কছে নিরাময়ের জন্য সুরিকে নিয়ে যান। এদিকে লীলা জোরালোভাবে আধুনিক চিকিৎসা  পছন্দ করে তবে চিকিৎসা ব্যয়ের ব্যবস্থা করার জন্য লড়াই করে। এর আগে শিল্পার সাথে কথোপকথনের মাধ্যমে আরপুতহাম’র বিশ্বাসের সঙ্কটের সূত্রপাত ঘটে, যখন  শিল্পা রসুকুট্টিকে হারিয়েছিল এবং শিশুদেরকে অপহরণ ও অপরাধী দলকে সাহায্য করার বিষয়ে তার অপরাধ স্বীকার করেন। আরপুতহাম বলেছেন, তার জন্য কোনও ক্ষমা নেই। যাওয়ার আগে শিল্পা অর্পুতহামকে বলেছিল, তিনিও একটি শৈলকে ধরে সুনামিতে বেঁচে গিয়েছিলেন কিন্তু তাতে ইশ্বরত্বের কোনও কারণ নেই। এই সংকটে বাক্রুদ্ধ হয়ে অর্পুথাম মূর্তিটি ভেঙে ফেলেন এবং তার ভিতরে দীর্ঘ-দিনের পুরোনো  হীরা খুঁজে পান, যা তিনি সুরির চিকিত্সা জন্য অর্থ ব্যয় করতে ব্যবহার করেন। লীলা এবার সুরির মুখোমুখি হন, সুরিকে বলেন যে, তিনি একজন অভিনেত্রী হতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি ভালো চরিত্রে অভিনয় করার সুযোগ পান নি। শেষে তিনি পর্ণ ছবিতে অভিনয় করেছিলেন। এর আগে তিনি একটি ছবিতে রানী চরিত্র অভিনয় করেছেন। সেটা যেমন দর্শক কনে রাখবে না, পর্ণ ছবিতে অভিনয়ের ব্যাপারটাও দর্শক মনে রাখবে না।

ভাইম্বু এবং মুগিলের গল্প: একটি স্বাচ্ছন্দিত বিবাহিত মহিলা ভাইম্বু তার পূর্ব প্রেমিকের দূর্দশার কথা শুনে তাকে স্বামীর অনুপস্থিতিতে তাকে বাসায় আসতে বলেন এবং যৌন-সঙ্গম করেন। হঠাৎ প্রেমিকটি বিছানায় মারা যায়।  তার স্বামী মুগিল ভীষণভাবে ক্ষুদ্ধ হলেও ঘটনার মধ্যে আটকা পড়ে।  প্রতিবেশীদের কাছ থেকে লুকিয়ে রেখে লাশটার দূরে কোথাও ফেলে আসতে হবে। ভাইম্বু মুগিলের কাছে পুরো ঘটনা স্বীকার করে। এতে মুগিল আরো বেশি রাগান্বিত হয় যাতে তার স্বাভাবিকভাবে কাজ ও চিন্তা করা বাধাগ্রস্ত হয়। অবশেষে, তারা মৃতদেহটি শহর থেকে বাইরে পাচার করার চেষ্টা করে। তবে তারা শিল্পার গল্পের একই দুর্নীতিগ্রস্ত পুলিশ অফিসার বার্লিনের হাতে ধরা পড়ে, বর্লিন ভাইম্বুকে যৌনসম্পর্ক জন্য ব্ল্যাকমেল করে। যখন সে ধর্ষণ করার ইচ্ছায় ভাইম্বুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলো, প্রথম দলের ছেলেদের ফেলে দেওয়া পুরানো টিভিটি তার মাথায় পড়ে এবং সে মারা যায়। ভাইম্বু-মুগিল উভয়ই লাশ থেকে মুক্তি পান এবং তারা একসাথে বসবাস করেন।

পরিশিষ্ট : এপিলোগের ভয়েসওভারটি চারটি গল্পের প্রতিটিটির শেষের সাথে জড়িত)) টিভি গল্পের বন্ধুরা শেষ পর্যন্ত থিয়েটারে একটি পর্ন সিনেমা দেখতে যায়। চলচ্চিত্রটি শুরু হয় একজন চিকিৎসকের মহাবিশ্বের মধ্যে জীবন এবং রহস্য সম্পর্কে দার্শনিকভাবে কথা বলার মাধ্যমে, তিনি বলতে থাকেন: সমস্ত কিছু আমাদের সাথে এখনও  অজানা হিসাবে রয়েছে। তারপরে তিনি বলেন, তিনি এখন সেই দর্শকদের কয়েকটি প্রকাশ করতে যাচ্ছেন এবং এখনই চোখের পলকে। পর্ন সিনেমার শিরোনাম ভাযভভিন রাগাসিয়াম (“জীবনের গোপনীয়তা”) যা দেখায় সময় পাশের নার্সটি তার চোখের জল ফেলতে শুরু করে।

এখানে ছবিটি সম্পর্কে যা বলা হলো তা আসলে এ ছবিটি সম্পর্কে ধারণা দেওয়ার অসফল চেষ্টা। ছবিটি দেখতে বসলে আপনি একটি ঘোরের মধ্যে চলে যাবেন। শেষ না হওয়া পর্যন্ত উঠতে পারবেন না। কোন ঘটনা কোন দিকে মোড় নিচ্ছে আগে থেকে কিছুই ধারণা করতে পারবেন না। মূহুর্তে মুহুর্তে টুইস্টের ধাক্কা খাবেন। ছবিটি ২২ শে মার্চ, ২০১৯ এ প্রেক্ষাগৃহগুলিতে মুক্তি পেয়েছিল। এটি সহ-রচনা, সহ-প্রযোজনা ও পরিচালনা করেছিলেন থিয়াগারাজন কুমাররাজ।

-মশিউর রহমান মিঠু

নোয়াখালীর আঞ্চলিক ভাষার শিল্পি মোঃ হাসেম এর দু’টি জীবন সংগ্রামের গান

১৯৭৩-১৯৭৪ সালের দিকে মোহাম্মদ হাশেম নোয়াখালীর আঞ্চলিক ভাষায় গান লিখতে শুরু করেন। এর আগে নোয়াখালী অঞ্চলের কোনো গান ছিল না। তার হাত ধরেই এ অঞ্চলের মানুষের মুখের ভাষা, আনন্দ-বেদনা, মেঘনা পারের মানুষের সংগ্রামী জীবনাচার সঙ্গীতে রূপ নেয়। তার অধিকাংশ গান সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে তুমুল জনপ্রিয়তা পায়। নোয়াখালীর প্রধান সঙ্গীত খ্যাত ‘আঙ্গো বাড়ি নোয়াখালী রয়াল ডিস্ট্রিক ভাই/ হেনী মাইজদী চৌমুহনীর নাম কে হুনে নাই’-গানটি তাকে এনে দিয়েছিল জগতজোড়া খ্যাতি। এ গান আজও মানুষের মুখে মুখে। তার জনপ্রিয় অন্যান্য গানের মধ্যে রয়েছে- ‘আল্লায় দিসে বাইল্লার বাসা নোয়াখাইল্লা মাডি’, ‘নোয়াখালীর দক্ষিণে দি উইটসে নোয়া চর’, ‘রিকশাঅলা ১৯৭৩-১৯৭৪ সালের দিকে মোহাম্মদ হাশেম নোয়াখালীর আঞ্চলিক ভাষায় গান লিখতে শুরু করেন। এর আগে নোয়াখালী অঞ্চলের কোনো গান ছিল না। তার হাত ধরেই এ অঞ্চলের মানুষের মুখের ভাষা, আনন্দ-বেদনা, মেঘনা পারের মানুষের সংগ্রামী জীবনাচার সঙ্গীতে রূপ নেয়। তার অধিকাংশ গান সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে তুমুল জনপ্রিয়তা পায়। নোয়াখালীর প্রধান সঙ্গীত খ্যাত ‘আঙ্গো বাড়ি নোয়াখালী রয়াল ডিস্ট্রিক ভাই/ হেনী মাইজদী চৌমুহনীর নাম কে হুনে নাই’-গানটি তাকে এনে দিয়েছিল জগতজোড়া খ্যাতি। এ গান আজও মানুষের মুখে মুখে। তার জনপ্রিয় অন্যান্য গানের মধ্যে রয়েছে- ‘আল্লায় দিসে বাইল্লার বাসা নোয়াখাইল্লা মাডি’, ‘নোয়াখালীর দক্ষিণে দি উইটসে নোয়া চর’, ‘রিকশাঅলা কুসকাই চালা ইস্টিশন যাইয়াম’, আহারে ও কুলসুম কতুন আইলো ডুবাইআলা কইল্লো এ জুলুম’। সঙ্গীতের পাশাপাশি তিনি অধ্যাপনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৭০ সালে রেডিও পাকিস্তানের ‘অনুষ্ঠান সংগঠক’ হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু। পর্যায়ক্রমে ঢাকা সঙ্গীত কলেজ, কবিরহাট সরকারি কলেজ, লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজসহ দেশের বিভিন্ন কলেজে শিক্ষকতার পর তিনি ২০০৫ সালে এ অঞ্চলের অন্যতম নোয়াখালী সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে অবসর গ্রহণ করেন। তার সঙ্গীতের প্রথম গুরু বাংলা লোকজ সঙ্গীতের দিকপাল শিল্পী আব্দুল আলীম। তিনি আবদুল আলীম ছাড়াও ওস্তাদ বারীন মজুমদারের কাছে উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত, ওস্তাদ আবিদ হোসেন খানের কাছে তত্ত্বীয় সঙ্গীত, ওস্তাদ মোহাম্মদ হোসেন খানের কাছে তবলায় দীক্ষা নেন। অবশেষে তিনি নিজ বাসভূমিতে গিয়ে শুরু করেন শিক্ষকতা ও সঙ্গীত সাধনা।

সর্বোতমঙ্গল রাধে বিনোদিনি রায় গান ও বিতর্ক

সর্বোতমঙ্গল রাধে বিনোদিনি রায় গান ও বিতর্ক: লোক-সংগীত কোন শো-রুমে রাখার জিনিস নয়। যারা শহুরে বা শো-ঘরে বসবাস করেন, তারা আপনাদের জন্য বানানো গানগুলো গেয়ে যান। লোকজ গানের খোঁজে থাকা আমি চলতি বছরের শুরুর দিকে গানটি সংগ্রহ ও আপলোড করেছিলাম। তখন তো কেউ গানটির দিকে তেমন কেউ খেয়াল করেন নি। গানটি চঞ্চল চৌধুরী ও শাওন এর মত সেলিব্রিটিরা গাওয়ার ফলে এখন বেশ জনপ্রিয় ও বিতর্কিতও হয়েছে। সরলপুর নামের ব্র্যান্ডটি দাবী করছে গানটির ৭০ ভাগের কপিরাইট নাকি তাদের। এদিকে মৈমনসিংহ গীতিকার ধরণে গানটি তৈরী হয়েছে বলে দাবী করছেন চঞ্চল চৌধুরী। ঘটনা যাই হোক, লোক গানের কপিরাইট যদি থেকে থাকে তা থাকতে হবে লোক শিল্পিদের কাছে। লোকগানকে বন্ধনমুক্ত করে সবার সামনে উন্মুক্ত করে দেওয়ার প্রচেষ্টা থাকা ভালো। সেলিব্রিটি-যারা পেশাদার শিল্পি নন-তাদের চাইতে লোক ঢংয়ে পেশাদার লোক শির্পিদের কন্ঠে এ গান শোনা ভালো।

ঋত্তিক ঘটকের ”যুক্তি তক্ক আর গল্প” ছবির কালজয়ী গানগুলো

ঋত্তিক ঘটক’র ছবিতে গানগুলো বিশেষ করে যুক্তি তক্ক আর গল্প” ছবির গানগুলো একেরাবেই ভিন্নধাচের। কারন ততদিনে তিনি ওস্তাদ বাহাদুর হোসেন খান সাহেব থেকে সংগীত শিক্ষা নিয়েছেন। তার হৃদয়ে ছিলো জন্মভূমি পুর্ববাংলা তথা বাংলাদেশ। ফলে দ্রুপদী সংগীতের সাথে গ্রাম বাংলার লোকজ রীতি মিশিয়ে তিনি অনন্য এক শিল্পধারা তৈরী করেছেন তার ছবির গানে। শোনা যাক উল্লেখযোগ্য কিছু গান। এ ছবিতে দূরবীন শাহ’র একটি গান তিনি ব্যবহার করেছেন; সেটিও কালোত্তীর্ণ একটি গান।

সুরস্রষ্টা আলাউদ্দিন আলী’র জীবন ও সংগীত